উপমহাদেশের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য ঐতিহ্যগত গুরুপাক খাবার ঘি। ঘি কি শুধুই পোলাও বিরিয়ানি ও রসনা তৃপ্তির অংশ? ঘি কি,এক সময় আমাদের দৈনিন্দন খাদ্য তালিকার অংশ ছিলো না?। আমাদের দাদি-নানীরা তার প্রমান। আপনি আমাদের এই সম্মানিত সিনিয়র সিটিজেনদের প্রশ্ন করে দেখতে পারেন, ঘি এর অবস্থান আমদের ঐতিহ্যে কোথায়?
আমারা ঘি তৈরি করে থাকি সেই প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে, লাকড়ির চুলায়। এই বিষয়ে আত্নকথনে কিছু কথা রয়েছে। আমরা নিজেরা দুধ সংগ্রহ করি সরাসরি খামার এবং বাড়ি বাড়ি থেকে কারন ভেজাল টা শুরু হয় এখান থেকেই। আমাদের আর বিশেষ কোন বিশেষত্ব নেই। ঘি এর কারিগর অভিজ্ঞ, তা সকলেরই আছে। আমাদের ঘি তে কৃত্তিম ফ্লেভার, প্রিজারভেটিভ মুক্ত, স্বাস্থ সম্মত।
সকল বয়সে সবাই ঘি দৈনিন্দন খেতে পারবে, এমন কি যিনি ডায়েট করছেন তিনিও খেতে পারবেন, কারন কড়া জ্বালে তৈরি হওয়ায় ক্ষতিকর ফ্যাট মুক্ত। পরিমিত পরিমান ঘি হার্টের জন্য ক্ষতিকর নয়, এতে থাকা ওমেগা ৩ এবং কোলেষ্টেরল হৃদ যন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর কঞ্জুগেটেড লিনোলিক এসিড ধমনীতে ক্ষতিকর প্লাগ জমতে বাধা দেয়। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। আছে ওমেগা ৯ ফ্যাটি ও বিউটারিক এসিড। জ্বাল দেওয়ার দরুন এর ল্যাক্টোজ থাকে না সুতরাং ল্যাক্টোজ স্নগবেদন শীল ব্যাক্রির জন্য ও উপযোগী। গি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। মস্তিস্ক ও হাড় মজবুত করে স্মৃতিশক্তি প্রখর করে। ত্বক ও চুল উজ্জলতা আনে এবং বৃদ্ধি করে। সর্বোপরি ঘি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
এখন আমরা বুঝতে পারি কেনো আমদের পূর্ব পূরুষরা দৈনিন্দিন ঘি খেতেন। কেনো এটি আমাদের দৈনিন্দন খাদ্যাভাসের ঐতিহ্যগত অংশ। একজন সুস্থ ব্যাক্তি দৈনিক ১-২ চা চামচ ঘি অনায়সে খেতে পারেন।
ঘি এবং মাখনের মৌলিক পার্থক্য ঘি রেফ্রীজারেটরে না রেখে দীর্ঘদিন সংরক্ষন করা যায়। আমরা ঘি এর মান অক্ষ্যুন্ন রাখার জন্য কাচের জারে প্যাকেটজাত করেছি। ঘি ফ্রীজে সংরাক্ষন করলে অথবা সঠিক জারে না সংরক্ষণ রখলে ভালো মানের ঘি এর স্মেল ও টেক্সচারের কোয়ালিটির তারতম্য হতে পারে।
প্রতি ইউনিট ঘি এর ওয়েট হবে ৯০০ গ্রাম।
ঢাকায় ডেলিভারি চার্জ ৮০/
ঢাকার বাইরে ১৫০/(যেহেতু কাচের জার)

Reviews
There are no reviews yet.